অ্যাসাঞ্জ গ্রেপ্তার

অনলাইনডেক্স ০৫:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০১৯

বৃহস্পতিবার লন্ডনের ইকুয়েডরের দূতাবাস থেকে তাকে আটক করা হয়। সুইডেনে তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলায় জামিনে থাকার সময় ২০১২ সালে ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় নেন অ্যাসাঞ্জ। তখন অ্যাসাঞ্জ আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, সুইডেন ফেরত গেতে সরকার তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে। সেখানে ২০১০ সালে মার্কিন কূটনৈতিক নথি ফাঁসের দায়ে তার বিচার হতে পারে।
লন্ডনের পুলিশ জানায়, ২০১২ সালে ব্রিটেনের ইস্যু করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী তাকে আটক করা হয়েছে। ইকুয়েডর সরকার তার রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীর মর্যাদা তুলে নেয়ার পর দূতাবাস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে লন্ডন পুলিশ স্টেশনে রাখা হয়েছে। যথাসময়ে তাকে ওয়েস্টমিনিস্টার আদালতে তোলা হবে।’ ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলেন, ‘ইকুয়েডরের দূতাবাসে প্রবেশের ৭ বছর পর জুলিয়ানকে পুলিশের কাস্টডিতে নেয়া হলো। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। আমি ইকুয়েডর সরকার ও লন্ডন পুলিশকে এর জন্য ধন্যবাদ জানাই। কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়।’
গত সপ্তাহে সাংবাদিক ও অ্যাসাঞ্জের সমর্থক জন ফিলগার ইকুয়েডর দূতাবাসের সামনে লোকজন জড়ো করেন ও অ্যাসাঞ্জকে রক্ষার আহ্বান জানান। জাতিসংঘের নিপীড়ন বিষয়ক বিশেষ দূত নিলস মেনজার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘অ্যাসাঞ্জকে দূতাবাস থেকে বের করলে ব্রিটেন তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিতে পারে। সেখানে নিপীড়নের শিকার হতে পারেন অ্যাসাঞ্জ।’
এরআগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে অ্যাসাঞ্জকে নাগরিকত্ব দিয়ে তাকে রাশিয়াতে কূটনৈতিক পদে নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা করে ইকুয়েডর। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার জানায়, দূতাবাসের সীমানার বাইরে তাকে কখনোই কূটনৈতিক মর্যাদা দেয়া হবে না। ২০১৮ সালের জুনে জানা যায়, ইকুয়েডর অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক মর্যাদা তুলে নিতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। এ মাসে অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে লন্ডন দূতাবাস থেকে এক কর্মকর্তাকে সরিয়ে নেয় ইকুয়েডর। ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো বলেন, বারবার আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করায় অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাহার করা হয়েছে।

-সিএনএন, বিবিসি

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ