সর্বশেষ :

আদমদীঘিতে পশুর হাট গুলোতে জমে উঠেছে কেনা-বেচা

আতিকুর হাসান সজীব ০৮:২১, ৭ আগস্ট ২০১৯

বগুড়ার আদমদীঘিতে ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে বেচা-কেনার  জমে উঠেছে। হাটগুলোতে প্রাধান্য পাচ্ছে স্থানীয় খামারের পালিত গরু-ছাগল। তবে ঈদ ঘনিয়ে আসলে ভারতীয় গরুর আমদানি বাড়তে পারে বলে স্থানীয় গরু ব্যবসায়ীরা বলছেন। ঈদ আসতে আর মাত্র প্রায় দিন কয়েক বাকি থাকলেও এখনই জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির গরুর হাট।

আদমদীঘি উপজেলার বড় পশুর হাটগুলোর মধ্যে শনিবার-মঙ্গলবার আদমদীঘির হাট ও সান্তাহার রাধাকান্ত হাট ও শুক্রবার-সোমবার নশরতপুর হাট এবং বৃহস্পতিবারের বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার ধাপের হাট অন্যতম। এসব হাটের সাথে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাটগুলোতে আগাম কোরবানির পশু আসা শুরু করেছে। তবে বিক্রেতারা পশুর দাম আকাশ ছোঁয়া চাওয়ায় তেমন বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার সান্তাহার রাধাকান্ত হাটে গত শনিবার গিয়ে দেখা গেছে, কোরবানির পশু উঠেছে ব্যাপক। কিন্তু বিক্রেতারা দাম বেশি চাওয়ায় ক্রেতারা পশু তেমন কিনছেন না। ক্রেতারা বলছেন, এবারে পশুর দাম যেভাবে চাওয়া হচ্ছে তাতে পশু কিনায় মুশকিল। ক্রেতাদের মতে ঈদের আর মাত্র প্রায় ৭   দিন বাকি।  তবে ক্রেতা আর বিক্রেতারা উভয়েই বলছেন, আগামী ১ সপ্তাহ ধরেই গরুর আমদানি বেড়ে যাবে।আর তখন ক্রেতারা পশু কেনা শুরু করবেন। হাটগুলোতে এখন পর্যন্ত ভারতীয় গরুর আমদানি অনেক কম বলে জানান গরু ব্যবসায়ীরা।
ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে ভারতীয় গরুর আমদানি বেশি হলেও স্থানীয় খামারের বা বাড়িতে পোষা গরুই বেশি প্রাধান্য পাবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। পশুর আমদানির উপর দামের নির্ভর করলেও এবছর সকল ধরণের পশুর দাম তুলনামূলক অনেক বেশি হবে বলে মনে করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। পশু হাটের ইজারাদারা বলছেন, হাটে এখন পর্যন্ত ভারতীয গরু মহিষের আমদানি কম। সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু এখন তেমন আসছে না। তাই এবারের কোরবানিতে দেশীয় গরুর কদর থাকবে। তারা আরও বলেছেন এবারের ঈদে বিভিন্ন এলাকার খামার ও গৃহস্থদের বাড়ির গরু তাদের হাটে প্রাধান্য পাবে।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অন্যান্য বছরের মতো এবারে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা খামারের সংখ্যাও অনেক কম। আগের বছরগুলোতে ভারতীয় গরুর সাথে পাল্লা দিতে গিয়ে ভালো দাম না পেয়ে অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন। এতে তারা আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। যে কারণে ক্ষতিগ্রস্তরা এবারে আর তেমন খামার গড়ে তোলেননি। তবে বিভিন্ন গ্রামের গৃহস্থদের বাড়িতে বাড়িতে ২-৪ টি দেশীয় গরু পালন করেছেন অনেকে। আর ঐসব গরু এবারের কোরবানীর ঈদের ক্রেতাদের হবে প্রধান লক্ষ্য।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ