সর্বশেষ :

একীভূত হচ্ছে শিওর ক্যাশ এবং পাঠাও

নিউজবক্স ডেক্স ০৩:২৮, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯

একীভূত হচ্ছে বেসরকারি মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান শিওর ক্যাশ এবং পাঠাও, যা দেশীয় কোম্পানির ইতিহাসে একটি বড় ঘটনা। একীভূত হওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ঘোষণার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নতুন নতুন সেবা দেয়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরুর চার বছর পর কোম্পানি দুইটি একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোম্পানি দুইটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন।
তবে শিওর ক্যাশ এবং পাঠাও এক হলেও আলাদাভাবেই চলবে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম। তবে মালিকানার ধরন, সম্পদমূলের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠান দুটি।
মোবাইল ফোনের আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান শিওর ক্যাশ এবং অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং কোম্পানি পাঠাও এই দেশে যাত্রা শুরু করেছিল ২০১৫ সালে।
শিওর ক্যাশের রয়েছে দুই কোটি গ্রাহক, দুই লাখ এজেন্ট ও এক হাজার লেনদেনকারী অংশীদার বা পেমেন্ট পার্টনার। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসি), যমুনা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে শিওর ক্যাশ।
শিওর ক্যাশ ব্যবহার করে গ্রাহকরা টাকা জমা ও উত্তোলন, বিভিন্ন ধরনের ইউটিলিটি ফি পরিশোধসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারেন। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। মোবাইল ব্যাংকিং সেবার জন্য প্রতিষ্ঠানটির যে প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, সেটি নিজেদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
বর্তমানে পাঠাও এর ৫০ লাখ নিবন্ধিত গ্রাহক রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির রাইড শেয়ারিং সেবার জন্য নিবন্ধিত চালকের সংখ্যা ২ লাখ এবং ১০ হাজার। এছাড়া বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি চুক্তিবদ্ধ। ২০১৫ সালে কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবসা দিয়ে পাঠাওয়ের যাত্রা শুরু। এরপর একে একে যুক্ত হয় অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং, খাবার সরবরাহ ও ই-কমার্স ব্যবসা।
বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপালেও বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করছে পাঠাও। ২০১৭ সালে পাঠাওয়ে ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে ইন্দোনেশিয়ার বৃহৎ রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান গো-জ্যাক। পাঠাও বাইক, পাঠাও কার, পাঠাও ফুড, পাঠাও পার্সেল ও পাঠাও কুরিয়ার নামে পাঠাওয়ের পাঁচটি প্ল্য্যাটফর্ম রয়েছে।
গো-জ্যাকের বাইরে প্রতিষ্ঠান দুটিতে জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, হংকংসহ এ দুই প্রতিষ্ঠান এক হলে বিদেশি বিনিয়োগ আর্কষণের সুযোগ আরো বাড়বে বলে মনে করছেন উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ