এ সরকার বাংলাদেশের সবচেয়ে জনসমর্থনহীন সরকার-অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব

নিউজবক্সবিডি, ঢাকা ১২:১৪, ৫ মে ২০১৯

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে বৈধ বা অবৈধ যাই বলি না কেন সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীকে শপথ নেয়ার সময় বলতে হয়, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুরাগ-বিরাগের ঊর্ধ্বে থাকিব’। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে যে বেফাঁস কথা বললেন তাকে যদি অপমানজনকভাবে ব্যবহার করা হয় তাহলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না। এখানে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন বলে আমি মনে করি।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া আদর্শ একাডেমি আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় বিএনপি নেতা এসব কথা বলেন।
‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ সব রাজবন্দির মুক্তির দাবি’ শীর্ষক এ সভা হয়।
খন্দকার মাহবুব বলেন, লন্ডনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কারণ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নাকি তার লন্ডন সফরে বাধা সৃষ্টি করেছেন। তাই তিনি হোটেল পাচ্ছেন না। এজন্য প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তারেক রহমান যদি বেশি বাড়াবাড়ি করে তাহলে তার মা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না। এতে আমরা দেখতে পেলাম আগেও আমরা যা বলেছি খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটক করে রাখা হয়েছে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ বিএনপি নেতা বলেন, খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করতে হলে, তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচাতে হলে এবং নেতাকর্মীদেরকে জেল থেকে বের করতে হলে রাজপথ উত্তপ্ত করতে হবে। আমাদের নেতাকর্মীরা যদি একবার রাজপথে নামে তাহলে লাখ লাখ জনতা রাজপথে নামবে। তাই দিন ও তারিখ ঠিক না করে একবার রাজপথে নামুন। হাজার হাজার নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে সমাবেশ করুন। দেখবেন, এই সরকারের পায়ের নিচের মাটি থাকবে না।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি আড়াইশোর বেশি আসনে জয়লাভ করতো।
তিনি বলেন, এ সরকার বাংলাদেশের সবচেয়ে জনসমর্থনহীন সরকার। শুধু গুম, খুন, নির্যাতন ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করে আছে।
বিএনপির সহতথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সৎ শাসক। তার চরম শত্রুরাও জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ আনতে পারেননি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন জংলি শাসকের খপ্পরে। এদেশ থেকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, ভোটাধিকার সব হারিয়ে গেছে। এখন দিনের ভোট রাতেই হয়ে যায়।
মো. আজম খানের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- আব্দুর রহিম, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, আব্দুর রহমান বাবুল, মামুনুর রশিদ মামুন, রকিবুল ইসলাম রিপন, এম জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ