সর্বশেষ :

জনগনের ভালোবাসা, দোয়া নিয়ে কর্মীবান্ধব চেয়ারম্যান বাবলু’র এগিয়ে চলা

জামান/মাসুম/রাজু/দ্বীন ইসলাম ১০:৫৭, ১২ নভেম্বর ২০১৯

নোয়াখালী সদর উপজেলা ১নং চরমটুয়া ইউনিয়নের বার বার জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাবলুর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় কর্মীবান্ধব হওয়াই যেন বাবলুর কাল হয়েছে। অনুসন্ধানে জানাযায়, ১নং চরমটুয়া ইউনিয়নের আব্দুল মালেকের পুত্র কিশোর বয়স থেকে স্থানীয় রাজনীতির সাথে জড়িত। ১/১১এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সইতে হয়েছে মিলেটারি বুটের অত্যাচার। দেশের জনগনের দাবীর মুখে সেদিন তত্বাবধায়ক সরকার বাধ্য হয়েছিল নির্বাচন দিতে। দেশের সকল মানুষ ও সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহনে উৎস মুখর পরিবেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনে গন মানুষের রায়ে ক্ষমতায় এসেছিলো আওয়ামীলীগ । সরকার গঠন করেছিল। সেদিন থেকে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় ডিজিটাল গড়ার স্বপ্নকে শহর থেকে গ্রামে পৌঁছে দেয়ার দ্বায়িত্ব পড়ে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপর। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবায়নে আন্য সকল নেতাকর্মীদের মতো কাজ শুরু করেন কামাল উদ্দিন বাবলু। নিজস্ব মতাদর্শের কর্মীবাহিনী নিয়ে ছুটে চলে নোয়াখালী সদরের আনাচে-কানাচে থেকে নিজ ১নং ইউনিয়ন চরমটুয়ার অলিগলি কাচা পথ। ২০১১সালে এলাকার সিনিয়র আওয়ামীলীগ ও তার অংগসংগঠনের সকল নেতাদের স্নেহ ভালোবাসায় তাদের পরামর্শ দিকনির্দেশনা ও ছোটদের ভালোবাসায় ১নং চরমটুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে নিজেকে এলাকাবাসীর সামনে তুলে ধরেন। ইউনিয়নবাসীর সমর্থন, সহযোগীতা ও প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয় ১নং চরমটুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পর পর দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে অদ্যবধি সেই চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্ব পালন করছেন অক্লান্তভাবে। এলাকার নতুন নতুন সড়ক তৈরী, পুরাতন সড়কের সংস্কার, স্কুল-কলেজ মসজিদ- মাদ্রাসা, মন্দির, পাঠাগার উন্নয়নে সামর্থ অনুযায়ী রেখে চলেছেন অবদান। দিন দিন বেড়ে চলেছে এলাকার গন মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা। একই সাথে বেড়েছে বিরোধীদের সমালোচনা ও দুষ্ট রাজনৈতিক চক্রের শত্রুতা। যাদের কাছে চেয়ারম্যান বাবলুর এলাকার উন্নয়ন কাজ গুলোও ব্যক্তি স্বার্থের উন্নতি বলে বিবেচিত হয়।


এলাকার ৬৫ বছর বয়স্ক জনৈক কৃষক হাই মিয়া জানান, বাবলু অল্প বয়সে চেয়ারম্যান হওয়ায়, আওয়ামীলীগের ভালো পদবী পাওয়া আর এলাকায় ভালো কাজ করছে বলে চেয়ারম্যান বাবলু এখন অনেকেরই শত্রু হয়েছে। এলাকার বেকার যুবকরা চেয়ারম্যান বাবলুর পরমর্শ ও সহযোগিতায় ব্যবসা বানিজ্য করছে। নেসা ভাং-মদ-ইয়াবা খায়না, চুরি ছিনতাই করেনা।
মাইজদী সদরের প্রাইভেট কার চালক সালমান বলেন, এই চৌরা অঞ্চলে এক সময়ে এশার নামাজের পর যাত্রী নিয়ে ঢুকতে ভয় লাগতো। রাস্তার মধ্যে ডাকাতরা গাছ ফেলে ডাকাতি করতো। গত ১০ বছরে চেয়ারম্যানের আন্তরিকতা সঠিক উদ্যোগ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় সকল অপরাধীদের আইনি আওতায় নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন এই চর এলাকায় শান্তি বিরাজ করছে। মধ্য রাতেও গ্রামবাসিরা নিশ্চিতে চলাফেরা করতে পারে। কামাল উদ্দিন বাবলু চেয়ারম্যান হিসাবেও যেমন সফল তেমনিভাবে আওয়ামী রাজনীতিতেও রাখছে বিশেষ অবদান। সাংগঠনিক নেত্রিত্বের গুনে বর্তমানে বাবলু ১নং চর মটুয়া ইউনিয়নে পর পর ২বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে। আবার একইসাথে ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
চেয়ারম্যান বাবলুর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ১নং ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি মেশকাত উদ্দীন চৌধুরী বাবলু চেয়ারম্যান সম্পর্কে বলেন, রাজনৈতিকভাবে স্থানীয় আওয়ামীলীগ এর অংগ সংগঠনের কাছে বাবলু চেয়ারম্যান একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ। মাঠ পর্যায়ের নেতা কর্মীদের ছোট বড় সকল সমস্যা সামাধানে তার অবদান অগ্রগন্য।

নোয়াখালী সদর উপাজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সিহাব উদ্দীন শাহিন বলেন, দোষগুন নিয়েই মানুষ। মানুষতো আর ফেরেস্তা না তাই বাবলু চেয়ারম্যানেরও দোষ ত্রুটি থাকতেই পারে, তবে সে এতোটা খারাপ না যে তার কঠোর সমালোচনা করা যেতে পারে। সে একজন সফল রাজনৈতিক নেতা।
সদর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আতাউর রহমান নাসের বলেন, বাবলু একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার বাবা চরমটুরিয়া ইউনিয়নের একসময় আওয়মীলীগের সভাপতি ছিলেন। একজন দক্ষ সংগঠক হিসাবে এলাকাসহ সবার কাছে সমান জনপ্রিয়।
ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবু সাইদ বলেন, দলের অংগ সংগঠন হিসাবে আমাদের সকল রাজনৈতিক কার্যক্রমে তার অবদান অনস্বীকার্য। আরো যদি বলতে হয় তাহলে বলবো এলকার গরীব দুঃখী মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বাবলু চেয়ারম্যান। গরীব পরিবারের সন্তানদের বিয়ে-লেখাপড়ার খরচের একটি বড় অংশ দেন তিনি। সরকারী দান-অনুদানের চাইতে তার ব্যক্তিগত দান-অনুদানের পরিমানই বেশি।
১নং চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ সোলাইমান বলেন, সদরের ১৩টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের মধ্যে বাবলু চেয়ারম্যান আছে সবার উপরে। তার কাছে নাগরিক সেবা সবচেয়ে দ্রুততার সাথে হয়। সরকারী সকল প্রকার প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন নিরপেক্ষতায় করেন তিনি। পারিবারিকভাবেই তারা জনগনের সেবক হিসাবে চিহ্নিত। আওয়ামীলীগের সহযোগী দল হিসাবে ছাত্রলীগের সকল কার্যক্রম ও প্রয়োজনে বাবলু চেয়ারম্যান সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন অকৃপনভাবে।
এ প্রসঙ্গে ১নং চরমটুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাবলু বলেন, আমি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতিতে বিশ্বাসি ও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নিক দিক নির্দেশনা চলা আওয়ামীলীগের সামান্য একজন কর্মী মাত্র। দল ও গনমানুষের স্বপ্ন পুরনে কাজ করে চলছি। কতটুকু মানুষের সেবা করতে পারছি জানিনা তবে আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করছি। বাকি আমার ইউনিয়নের জনগন ও দলে আমার রাজনৈতিক গুরুজনরা, নোয়াখালী সদর থানা ও জেলার নেত্রীবৃন্দ আমার পরিশ্রমের মুল্যায়ন ও মন্তব্য করতে পারবেন। আমার দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও জনগনের সুখ শান্তির মধ্যদিয়ে তাদের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়েই আমি বেচে থাকতে চাই।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ