সর্বশেষ :

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ বাতিল ও গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবি সিপিবির

নিউজবক্সবিডি ১২:০৭, ২১ জুন ২০২০

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম এক বিবৃতিতে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে’ মামলা-গ্রেফতারসহ রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নিপীড়নমূলক ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ বাতিল এবং এই আইনে গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবি জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা মহামারিতে সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশের মানুষও যখন আতঙ্কিত ও বিপর্যস্ত, তখন সরকার নিপীড়নমূলক ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে’ একের পর এক মামলা ও গ্রেফতার করে জনমনে নতুন আতঙ্কের সৃষ্টি করছে। সরকারের সমালোচনা করায়, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্লগার, কার্টুনিস্টসহ অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশেরই জামিন হচ্ছে না। এমনকি অনেক ক্ষেত্রেই বিচার প্রক্রিয়া জটিল করে রাখা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ব্যর্থতা আর লুটপাট ঢাকতে সরকার নিপীড়নের পথ বেছে নিয়েছে।
বিবৃতিতে সিপিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, সম্প্রতি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সিরাজাম মুনিরা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমানকে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে’ গ্রেফতার করা হয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জিকে সাদিক ও শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী মাহির চৌধুরীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
তারা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও ‘রাষ্ট্রচিন্তা’র সদস্য মো. দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া, কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, লেখক মুশতাক আহমেদ, মিনহাজ মান্নানকে বাসা থেকে ধরে এনে মামলা দেয়া হয়েছে। এর আগে ৫৪ দিন নিখোঁজ থাকা সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল ‘উদ্ধার’ হওয়ার পর ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে’ মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও লুটপাটের বিরুদ্ধে লেখা ও সরকারের সমালোচনা করায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ