সর্বশেষ :

“নারীর চোখে বাংলাদেশ” এর বর্ধিত কার্যক্রম শুরু

মো: আবুল বায়েস ০১:৫১, ৯ মার্চ ২০২০

০৮ মার্চ ২০২০ তারিখ, রবিবার বিশ্ব নারী দিবসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো  “নারীর চোখে বাংলাদেশ” এর বর্ধিত কার্যক্রম।
“নারীর চোখে বাংলাদেশ”  প্রকল্পটি ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ-ভ্রমণকন্যা” পরিচালিত একটি সামাজিক কার্র্যক্রম যা ৬ এপ্রিল ২০১৭ তে শুরু হয়ে শেষ হয় ৫ই মে ২০১৯ তারিখ। গত ০৬ ফেরুয়ারি ২০২০ তারিখ “নারীর চোখে বাংলাদেশ”-এর  বর্ধিত প্রকল্পর কার্র্যক্রম পুনরায় শুরু হয় ঢাকা জেলা থেকে।
জানাযায়, “নারীর চোখে বাংলাদেশ”-এর প্রথম ধাপে  বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় দুটি স্কুটিতে করে ৪জন ভ্রমণকন্যা ভ্রমণ করেছে সমগ্র বাংলাদেশ। ভ্রমণের পাশাপাশি ১০টি পর্বে ২ বছর ১ মাস সময় ব্যাপী প্রতিটি জেলার একটি করে মেয়েদের স্কুলে প্রায় ২৩০০০ ( তেইশ হাজার) বিভিন্ন বয়সী ষষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণী মেয়েদের সাথে বয়ঃসন্ধিকালীন সমস্যা, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ, খাদ্য পুষ্টি ও আত্মরক্ষার কৌশলের উপর ওয়ার্কশপ করানো হয়েছে।
এ প্রজেক্টটি তার কাজের স্বীকৃতি হিসাবে “জয় বাংলা ইয়ুথ এওয়ার্ড ২০১৮” মনোনীত হয়। তরুণ উদ্যোক্তা এবং সাফল অর্জনের স্বীকতি হিসাবে ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশা” এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ সাকিয়া হক মতামত বিনিময়ের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সিআরআই আয়োজিত  “লেটস টক উইথ শেখ হাসিনা”  অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন।  সমাজকর্মী লেখিকা জাফিগোএক্স  এর প্রধান মারিনা বিনতে মাহথির এর আমন্ত্রনে৯-১১ নভেম্বর২০১৮এ সংগঠনের পক্ষ থেকে ডাঃ সাকিয়া হক মালেয়শিয়াতে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সেখানে তিনি ব্রেকিং জেন্ডার স্টেরিও টাইপসএন্ড ডিসক্রিমিনেশান থ্রু ট্রাভেল বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন এবং একটি ওয়ার্কশপ করেছেন।


২০১৯ সালে এসেও এ সাফল্যর ধারা অব্যাহত রয়েছে। সংগঠনের অপর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মানসী সাহা তুলি ৭এপ্রিল হতে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল প্রোগ্রাম ফর উরম্যান লিডারশীপ ২০১৯ এ অংশ নিয়েছেন। এর আগে সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট সিলভী রহমান সাভারের শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইয্যুথ সেন্টারে  সিআরআই, ইউএনডিপি, সিএমএমএস পরিচালিত তিনদিন ব্যাপী একটি ওয়ার্কশপে অংশ গ্রহন করেন। যেখানে মূল বিষয় ছিল জেন্ডার বেসড ভায়ালেন্স এন্ড উওম্যান সেফটি অন পাবলিক প্লেস। নারীর চোখে বাংলাদেশের সাড়া জাগানো সফলতা এবং এই কার্যক্রমকে অব্যাহত রাখতে প্রজেক্টেও দ্বিতীয় ধাপের পরিকল্পনা মোতাবেক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।


এ পর্যায়ে তিনটি জেলাকে একটি নিদৃষ্ট জোনের আওতায় নিয়ে প্রতিটি এলাকা বা উপজেলার সকল স্কুলে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এতে করে দেশের বয়ঃসন্ধি কালীন ছেলে মেয়েদের আলচ্য বিষয়গুলিতে বিস্তৃতভাবে সচেতন করা হবে।
একর্মসূচীর ধারাবাহিকতায় আমরা বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার সবগুলির উপজেলার প্রতিটি স্কুলে অর্থাৎ ৪৯২টি উপজেলার ২৪৬০টি স্কুলের মেয়েদের কাছে আমাদের এই সচেতনতামূলক কার্যক্রম পৌছে দিতে চাই। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার প্রতিটি উপজেলার প্রতিটি স্কুলে এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমগুলি পৌছে দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।

সেই পরিকল্পনার ভিত্তিতে আমরা নারীর চোখে বাংলাদেশের একটি পঞ্চবার্ষিকী প্রকল্প গত ৬ ফের্রুয়ারী ২০২০ তারিখ ঢাকা জেলায় শুরু হয়েছে।
এই ধারাবাহিকতায় ৮মার্চ ২০২০ দুপুর ১২ ঘটিকায় মিরপুর বাংলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (বালিকা শাখা) স্কুলটিতে নারীর চোখে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ওয়ার্কশপে নারীর বয়ঃসন্ধিকালীন সমস্যা,  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও ভ্রমন, খাদ্যপুষ্টি, বাল্যবিবাহ, মাদক ও আত্মরক্ষার কৌশলের উপর প্রশিক্ষণ ও আলোচনা করা হয়।
বিষয়ভিত্তিক কার্যক্রমটি পরিচালনা করেন যথাক্রমে-সুখী সুলতানা- ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ , উম্মে হাবিবা সিনথিয়া-মুক্তিযুদ্ধ, ডাঃ মানসী সাহা-বয়ঃসন্ধিকালীন সমস্যা, কামরুন নাহার রুনা- নারীর চোখে বাংলাদেশ, তুনাজ্জিনা তানমু-খাদ্য পুষ্টি ও পরিচ্ছন্নতা, নুসরাত জাহান রিজভী- আত্মরক্ষা।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ