সর্বশেষ :

পোশাক কারখানায় ২২ দশমিক ৪ শতাংশ নারী শ্রমিক যৌন হয়রানির শিকার

নিউজবক্সবিডি ০১:৩৩, ৮ মে ২০১৯

দেশের পোশাক কারখানায় ২২ দশমিক ৪ শতাংশ নারী শ্রমিক যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এটিকে মালিক কোনো অপরাধ বলেও মনে করে না। চাকরি হারানোর ভয়ে নারীরা এর কোনো প্রতিবাদও করে না। এসব কারণে পোশাক কারাখানায় যৌন হয়রানি বেড়ে চলেছে। বেসরকারি সংস্থা ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’-এর গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘তৈরি পোশাক শিল্প কারখানায় নারী শ্রমিকদের যৌন হয়রানি: সংগ্রাম ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এমন গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’ ও ‘কর্মজীবী নারী’ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গবেষণাটি ঢাকার মিরপুর, চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ ও বায়েজিদ বোস্তামী রোডে অবস্থিত ২২টি পোশাক কারখানায় পরিচালিত হয়।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির সেকেন্ড সেক্রেটারি ইলভা সালস্ট্রান্ড, কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রফিক, সংসদ সদস্য শিরীন আখতার, কর্মজীবী নারী সংগঠনের সভাপতি প্রতিমা পাল মজুমদার, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক একেএম মিজানুর রহমান প্রমুখ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে নারী শ্রমিকরা যে ধরনের যৌন হয়রানির শিকার হয়- এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪২ দশকি ৩৩ শতাংশ হচ্ছে কামনার দৃষ্টিতে তাকানো, সংবেদনশীল অঙ্গে কোনও কিছু নিক্ষেপ করা ৩৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, কাজ বোঝানোর বা কথা বলার সময় শরীর স্পর্শ করা ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এছাড়াও আছে অশ্নীল ভাষা প্রয়োগ, চাকরি থেকে বরখাস্তের হুমকি, অশোভন অঙ্গভঙ্গি, পদোন্নতির কথা বলে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির কারণ হলো- অপরাধের কোনো শাস্তি না হওয়া বা যৌন হয়রানিকে মালিকপক্ষ থেকে অপরাধ বলে মনে না করা; মধ্যরাত পর্যন্ত ওভার টাইম করানো।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ