সর্বশেষ :

মুসফিকের স্বপ্নের ‘এমআর-১৫ ফাউন্ডেশন’র যাত্রা খুব দ্রুতই শুরু হচ্ছে

নিউজবক্স ডেক্স ০৮:০৪, ২৭ মে ২০২০

মঙ্গলবার (২৬ মে) তার ক্যারিয়ারের দেড় দশক বা ১৫ বছর পূর্ণ হলো। এই মহেন্দ্রক্ষণেই মুশফিকুর রহিম তার অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজের লাইভে ঘোষণা দেন তার স্বপ্নের ‘এমআর-১৫ ফাউন্ডেশন (MR-15 FOUNDATION)’ খুব দ্রুতই যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।
করোনায় অসহায় মানুষদের সাহায্যের জন্য নিজ উদ্যোগে শুরু থেকেই সাহায্য করে যাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম। এরপর টেস্টে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানো ব্যাটটিও নিলামে বিক্রি করেন তিনি। সেই অর্থও সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয় করেন মুশি। এবার সাধারণ মানুষের আরও বেশি সাহায্যের জন্য মুশি নিয়ে আসছেন নিজ নামের সংস্থা ‘এমআর-১৫ ফাউন্ডেশন (MR-15 FOUNDATION)’।
নিজের ফাউন্ডেশনের ব্যাপারে মুশফিক জানান, ‘আমি মনে করছি এখন বাংলাদেশের মানুষকে প্রতিদান দেওয়ার সময় এসেছে। আর এই ব্যাপারে আমি কয়েকটি পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। যাদ মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে আমার স্বপ্নের এমআর-১৫ (MR-15 FOUNDATION) তৈরি করা। ইনশাহ আল্লাহ্‌ আপনারা জেনে খুশি হবেন যে খুব শিগগিরই শুরু করতে যাচ্ছি।’
কেবল এটাই নয় মুশফিকের চমক। ভক্ত সমর্থকদের জন্য মুশি আরও একটি চমক রেখেছেন। নিজ মুখে জানিয়েন সেটাও। ‘আমার ফাউন্ডেশনের লোগো আপনারাই (সমর্থকরা) নির্বাচন করবেন। এর জন্য আপনারা এই লোগো ডিজাইন করে পাঠিয়ে দিবেন। আর সব লোগো থেকে আমি নিজে ৫টি লোগো নির্বাচন করবো। আর তারা এই করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আমার সঙ্গে ডিনার করার সুযোগ। এরপর এই পাঁচ জনের মধ্য থেকে একজনের ডিজাইন আমি বেছে নেব। এবং সেই একজন পাবেন আমার অটোগ্রাফযুক্ত একটি জার্সি এবং তার সেই লোগো আমার এমআর-১৫ ফাউন্ডেশনে এবং এছাড়াও আমার সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই লোগো ব্যবহার করা হবে।’
লাইভে এসে মুশফিকুর রহিম আগে সাধারণ মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখ প্রকাশও করেন মুশি। তিনি বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদিও জানি এবারের ঈদ করোনার কারণে অধিকাংশ মানুষের আনন্দের থেকে বেদনাদায়কই হয়েছে। তবুও আমরা বিশ্বাস করি এবং দোয়া করি ইনশাহ আল্লাহ্‌ খুব দ্রুতই বাংলাদেশ সহ বিশ্বের সবাই এই করোনা থেকে মুক্তি পাবে।’
মুশফিক বলেন, ‘আজকে লাইভে আসার কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমটি হচ্ছে, আজকের এই দিনে ২০০৬ সালে লর্ডসে আমি প্রথম খেলতে নেমেছিলাম। দেখতে দেখতে ১৫ বছর কেটে গেল। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার এই জার্নিতে আমাকে সাহায্য করার জন্য। আমার পরিবার, বাবা-মা, আমার সতীর্থ, আমার কোচ, মিডিয়া এবং বিসিবি সবাইকে ধন্যবাদ।’

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ