সর্বশেষ :

রুপনগর চলন্তিকা পোড়া বস্তি এলাকায় দখল পূণ:দখলের মধ্যেই চলছে ঘর তোলার প্রতিযোগীতা

বিশেষ প্রতিবেদক ০১:৩৯, ৩১ অক্টোবর ২০১৯

রাজধানীর মিরপুর রুপনগর চলন্তিকা পোড়া বস্তি এলাকায় এখন শুধু বাঁশ-কাঠ দিয়ে ঘর বানানোর উৎসব চলছে। কে কার আগে জায়গা দখল করতে পারে যেন চলছে তার প্রতিযোগীতা। সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সামনে হলেও যেন দেখার কেউ নেই।

দেশে দূর্নীতির বিরুদ্ধে  কঠোর অভিযান চলছে। কিছুদিন আগে পোড়া চলন্তিকা বস্তির আগুনের রেশ কাটতে না কাটতেই উক্ত স্থানে ক্ষমতাশীন দলের যুব সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় খুব দ্রুত গতিতে দিনে-দুপুরে হাজার হাজার নতুন ঘর বানানো হচ্ছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে আরও অভিযোগ করে বলেন, রুপনগরের চলন্তিকা পোড়া বস্তির খালি জায়গায় চলেছে জমি দখল করে বস্তিঘর বানানোর মহোৎসব। যারা একসময় এই বস্তিতে ডিশের ব্যবসা, অবৈধ গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎতের ব্যবসা করতো এবং আগামীতেও করবে তারাই মূলত এ ঘরগুলি বানাতে বর্তমানে একে অপরকে সহায়তা করছে।

গতকাল (বুধবার) সরোজমিনে  মিরপুর রুপনগর চলন্তিকা বস্তি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পোড়া বস্তির একপাশে ৪ একর সম্পত্তির উপর হামদর্দ ওয়াকফ নামে বিশাল আকারে দুইটা সাইনবোর্ড টাঙানো। আবার গতরাতে হঠাৎই সাইনবোর্ডটি কোন এক অজ্ঞাত কারনে গায়েব হয়ে গেল। চলন্তিকার পোড়া বস্তির জায়গাটি দখল ও পুনরদখলের মধ্যই চলছে হরদম বস্তিতে ঘর তোলার প্রতিযোগিতা।
স্থানীয় অনেক এলাকাবাসীদের অভিযোগের সুরে বলেন, এই ভুমি দখলকারীরা জমি দখল করছে বস্তির জন্য হাজার হাজার ঘর বানাচ্ছে এখনকি সাংবাদিকদের চোখে আঙ্গুল দিয়েছে? নাকি এ ঘর উত্তোলনকারী প্রভাবশালীদের কোন অবৈধ সুবিধা নিয়ে নীরব আছে।

এলাকাবাসীরা আরো বলেন, ইতিপূর্বে কখনো এই বস্তিতে একসাথে এতগুলো ঘর এত তাড়াতাড়ি করে উঠাতে কেউ কখনো দেখেনি। যারা বস্তিতে ছিল, বস্তিবাসীদের আগুনে পোড়ার সাথে সাথে সব সম্বল শেষ হয়ে গিয়েছিল। এখন তাদের একসাথে এতগুলো ঘরতোলার অর্থ কে দিলো? কারা এ ঘরগুলি তোলার নেপথ্যে?  যারা এ অর্থর যোগান দিয়েছে তাদের এ অর্থের যোগানের উৎস সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত। অন্যথায় এ বস্তির জায়গা দখল পাল্টা দখল ও ঘর তোলার প্রতিযোগীতায় যে কোন সময় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী ক্ষমতার লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ