সর্বশেষ :
সুষম বন্ঠন,নাগরিক সেবা ও কর্মীবান্ধব

সকলকে সাথে নিয়ে উন্নয়নের স্রোতধারায় এগিয়ে চলছি- চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মুন্সি

মৃত্যুঞ্জয় মজুমদার ১০:১৭, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

লক্ষীপুরের রায়পুর উপজেলার ৭নং বামনী ইউনিয়ন জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন মুন্সি। আওয়ামী রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা ও সাংগঠনিক দক্ষতায়, ইউনিয়নবাসীর প্রতি ভালোবাসা ও অনাগত ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে একটি উন্নত  ইউনিয়ন উপহারের প্রচেষ্ঠায় নিজ কর্মগুনে এগিয়ে চলছেন কর্মীবান্ধব চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়,  ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথমবার আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেন তোফাজ্জল হোসেন। কিন্তু নিজ দলীয় কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থীর অসহযোগীতার কারনে তিনি নির্বাচনে জয়ী হতে পারেনি। কিন্তু নিজ ইউনিয়নের জনসাধারনের সেবার মানসিকতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিশ^াস ও বঙ্গবন্ধু কন্যার প্রতি শ্রদ্ধাবোধই নিজেকে পুনরায় জনগনের সামনে দাড়াতে সাহস জুগিয়েছে। এলাকার জনগনের ভালোবাসাকে পুজি করে দলীয় আস্থাকে সন্মান দেখিয়ে পুনরায় ২০১৬ সালের নির্বাচনে নিজেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে দাড় করিয়ে দেয়। জনগনও তাকে মূল্যায়ন করে বিপুল ভোটে ৭নং বামনী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসাবে জয়ী করে।
বর্তমান সময় পর্যন্ত তোফাজ্জল হোসেন নিজ দ্বায়িত্বভার বেশ সফলতার সাথেই পালন করছেন বলে জানা যায়। ইউনিয়ন পরিষদের দ্বায়িত্বভারের সাথে সাথে নিজ দল আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন সভাপতির পদও পালন করছেন। দলের প্রত্যেকটি কার্যক্রমে সক্রিয় অংশ গ্রহনের মাধ্যমে দলের সভানেত্রীর নির্দেশিত ও গ্রহনকৃত পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।
ইউনিয়নের প্রবীণ বাসিন্দা জনৈক আবুল কাশেম বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে অদ্যবধি তিনি সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করছে অক্লান্তভাবে। এলাকার নতুন নতুন সড়ক তৈরী, পুরাতন সড়কের সংস্কার, স্কুল-কলেজ মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, পাঠাগার উন্নয়নে সামর্থ অনুযায়ী রেখে চলেছেন অবদান। দিন দিন বেড়ে চলেছে এলাকার গন মানুষের কাছে তার জনপ্রিয়তা। একই সাথে বেড়েছে বিরোধীদের সমালোচনা ও দুষ্ট রাজনৈতিক চক্রের শত্রুতা। যাদের কাছে চেয়ারম্যান তোফাজ্জলের এলাকার উন্নয়ন কাজ গুলোও ব্যক্তিস্বার্থের উন্নতি বলে বিবেচিত হয়। এজন্যই তার বিরুদ্ধে এরকম মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে প্রচারনা করা হচ্ছে। ইউনিয়নবাসিকে সকল প্রকার নাগরিক সেবা দিতে এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে তার রয়েছে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ বলেও জানান ইউনিয়নবাসি।

গত কয়েকদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সমালোচনা ও অভিযোগের উল্লেখ করে চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগের উল্লেখ করে যে কথাগুলি লেখা হয়েছে তাহা সম্পূর্নরুপে মিথ্যা ও বানোয়াট একইসাথে ভিত্তিহীন। একজন চেয়ারম্যান হিসাবে এ ধরনের কাজগুলি করার কোন সুযোগ নেই। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের যে কোন সিদ্ধান্ত সকল মেম্বারগনের উপস্থিতিতে এবং সরকারী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে সকল এজেন্ডাগুলিতে একমত হয়ে নেয়া হয়। কারো কোন একক সিদ্ধান্তে কখনও কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় না। এলাকার সকল উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সঠিক বাস্তবায়নে সরকারীভাবেই টেন্ডারের ব্যবস্থা আছে সেমতেই কাজ হয় এবং হচ্ছে। এরপরও যদি কোনরুপ সন্দেহ হয় বা আমি মিথ্যা বলছি মনে হয় তাহলে আপনারা আমার ইউনিয়নে বসবাসকারী সকল জনসাধারনের সাথে কথা বলে এবং সকল নথি যাচাই-বাছাই করতে পারেন। আমার বিরোধী পক্ষের কিছু লোক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগন্ডা ছাড়াচ্ছে। আমি বিশ^াস করি মিথ্যা সব সময়ই পরাজিত হয় এবং হয়েছে কারন আমার ইউনিয়নের জনগন আমার সম্পর্কে ভালো জানানে ও চেনেন।

পাঠকের মন্তব্য

লাইভ

টপ